করোনার চিকিৎসা ব্যয়বহুল; স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সংবাদ

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনা চিকিৎসাটা কিন্তু ব্যয়বহুল। যেখানে প্রতিদিনই প্রত্যেক ডাক্তার ও নার্সদের পিপিই বদলাতে হয়। মাস্ক বদলাতে হয়। যে ওষুধ ব্যবহার করা হয় সেগুলোও দামি। করোনা পরীক্ষার ফিও বেশি। সব মিলিয়ে কিন্তু এ চিকিৎসাটা এক্সপেনসিভ। এসব কারণে চার্জও তুলনামূলক একটু বেশি হয়।

রোববার বেসরকারি টিভি চ্যানেল২৪ এর ‘নিউজ অ্যান্ড ভিউজ’ শীর্ষক লাইভ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সঞ্চালকের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমানে অনেক প্রাইভেট হাসপাতাল করোনা চিকিৎসায় এগিয়ে এসেছে। তারা চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে। তাদের ভূমিকা প্রশংসনীয়। সরকারিভাবে আমাদের নির্দেশনা দেয়া আছে, হাসপাতালগুলোও যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, আবার জনগণও যাতে সেবা পায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তারপরও আমরা বেসরকারি হাসপাতালের মালিকদের আহবান জানাবো, করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় আপনারা লাভের দিকে না তাকিয়ে সেবার বিষয়ে আন্তরিক হবেন। মানুষের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসবেন।

এছাড়া সরকারি হাসপাতালগুলোতে করোনা চিকিৎসার পরিসর বাড়ানো হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, অনেক হাসপাতালে বেড ফাঁকা পড়ে আছে। সেখানে রোগীরা যাচ্ছে না। আমরা চিকিসকদের সুরক্ষা সরঞ্জামের ব্যবস্থা করেছি। চিকিৎক-নার্সদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যাতে তারা যথাযথভাবে করোনা রোগীদের সেবা দিতে পারেন।

বেসরকারি হাসপাতালে করোনা টেস্টের ফি বেশি নেয়া হচ্ছে- এমন এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আসলে কোভিডের নমুনা পরীক্ষায় খরচ হয় পাঁচ হাজার টাকা। সরকারিভাবে এটা বিনামূল্যে করা হচ্ছে। প্রাইভেট হাসপাতালগুলোতে নেয়া হচ্ছে সাড়ে তিন হাজার টাকা।

তিনি জানান, সরকারিভাবেও ফি নেয়া হবে। হাসপাতালে গিয়ে নমুনা পরীক্ষা করা হলে ২০০ টাকা ও বাসায় গিয়ে নমুনা নেয়া হলে খরচ হবে ৫০০ টাকা।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, সংক্রমণ কমিয়ে আনার ব্যাপারে সরকার যথেষ্ট আন্তরিক। তবে সবার আগে প্রত্যেককে নিজ জায়গা থেকে সতর্ক থাকতে হবে। আর আক্রান্তদের চিকিৎসা দেয়ার জন্য আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি রয়েছে।

জেআর/