পীর সাহেব বরুণী রহ.-এর সংক্ষিপ্ত জীবনী

জীবন দর্শন

জন্ম.

হযরত মাওলানা শায়খ খলীলুর রহমান হামিদী রহ. ১৩ ডিসেম্বর ১৯৪৬ ঈসায়ী সনে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানাধীন ঐতিহ্যবাহী হামিদ নগর বরুণা গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত আলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা বিখ্যাত বুযুর্গ যুগশ্রেষ্ঠ ওলী আল্লামা শায়খ লুৎফুর রহমান বর্ণভী রাহ.। তিনি ছিলেন শায়খুল ইসলাম আল্লামা সায়্যিদ হুসাইন আহমদ মাদানী রাহ.’র খলীফা। বরুণার শায়খ সাহেব নামে তিনি সর্বমহলে পরিচিত ছিলেন।

শিক্ষাজীবন.

তিনি প্রাথমিক শিক্ষা স্বীয় বুযুর্গ পিতার নিকট লাভ করেন। অতঃপর মাধ্যমিক শিক্ষা মাওলানা আবদুর রহমান রাহ., হযরত মাওলানা আবদুল কুদ্দুস রাহ., মাওলানা মুশাররফ খান প্রমুখের নিকট থেকে অর্জন করেন। এরপর ১৯৬১ ঈসায়ী সনে কিশোরগঞ্জের স্বনামখ্যাত দ্বীনি দরসগাহ জামিয়া ইমদাদিয়ায় হেদায়া জামাতে ভর্তি হন। তৎকালীন সময়ে হযরত মাওলানা আবদুল আহাদ কাসিমী, হযরত মাওলানা আবদুল হক জালালাবাদী, মাওলানা আবদুর রহমানের মতো যোগ্য ও বিজ্ঞ উসতাযবৃন্দের নিকট শিক্ষা অর্জন করেন।

উচ্চতর শিক্ষার জন্যে করাচী গমন.

১৯৬৩ ঈসায়ী সনে উচ্চশিক্ষা অর্জনের নিমিত্তে পাকিস্তানের করাচী রওয়ানা হন। সেখানে পৌঁছে করাচীর বিন্নুরী টাউন মাদরাসায় ভর্তি হন। অত্যন্তমি সুনাম ও মেধার স্বাক্ষর রেখে মিশকাত ও দাওরায়ে হাদীস পড়াশোনা করেন। উভয় ক্লাসেই মুহাদ্দিসুল আসর আল্লামা ইউসূফ বান্নুরী রাহ.’র কাছে হাদীসের দারস গ্রহণ করেন। অঃপর তাফসীর শাস্ত্রে ব্যুৎপত্তি অর্জন করার জন্যে তাফসীর বিভাগে ভর্তি হন। হাফিযুল হাদীস আল্লামা আবদুল্লাহ দরখাস্তী রাহ.’র নিকট ইলমে তাফসীরে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন। এছাড়াও দারুল উলূম দেওবন্দে আল্লামা ফখরুদ্দিন মুরাদাবাদী রাহ.’র নিকট কিছুদিন শিক্ষাগ্রহণ করেন।

এখানে একটি কথা না বললেই নয়। তা হলো- তিনি তাঁর ছাত্রযামানায়ই ছিলেন খুবই মেহনতি ও মেধাবী। পাশাপাশি আমলি লাইনেও ছিলেন একধাপ এগিয়ে। হযরত ইউসুফ বিন্নুরী রাহ.’র যে ক’জন প্রিয় শাগরেদ ছিলেন তিনি হলেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম। হযরত তাঁকে খুবই স্নেহ করতেন। ভালোবাসতেন। তাঁর সাথীদের মধ্যে অন্যতম হলেন- হযরত ইউসুফ বিন্নুরী রাহ’র জামাতা হযরত মাওলানা ডক্টর হাবীবুল্লাহ মুখতার রাহিমাহুল্লাহ। তাঁর তাকরারে হাবীবুল্লাহ মুখতার রাহিমাহুল্লাও নিয়মিত অংশগ্রহণ করতেন।

তাঁর ছাত্রযামানার আরো একটি প্রশংসনীয় দিক এই ছিলো যে, ক্লাস চলাকালীন সময়ে খুবই গুরুত্ব দিয়ে উসতাযের তাকরীর শুনতেন। সেসব তাকরীর গুলো লিখে নিজের খাতায় নোট করে নিতেন। নির্ধারিত ঘন্টায় এক হুযুর সবক পড়িয়ে চলে যাওয়ার পর। আরেক হুযুর আসার মধ্যবর্তী ফাঁকা সময়কে তিনি কাজে লাগাতেন। আর তা হলো তখন তিনি ব্যক্তিগত আমলে মনোনিবেশ করতেন। যিকির আযকার ও অন্যান্য মা’মুলাতে লেগে যেতেন। এমনকি নাওয়াফিলের আমলে অভ্যস্থ হয়ে পড়তেন। সুবহানাল্লাহ! কত সুন্দর ছিলো তাঁর ছাত্রযামানা। রুটিন ভিত্তিক ছিলো সকল কারনামা।

শিক্ষকতা.

উচ্চতর দ্বীনি শিক্ষা অর্জন করে দেশে ফিরে এলে পিতার প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি প্রতিষ্ঠান জামিয়া লুৎফিয়ায় শিক্ষকতার জীবন আরম্ভ করেন। শিক্ষকতার মহান পেশায় নিযুক্ত হয়ে অত্যন্ত দক্ষতা ও বিচক্ষণতার সঙ্গে তা’লিমী ও তাদরীসি খেদমত আনজাম দিতে থাকেন। সিহাহ সিত্তাসহ দারসে নেযামীর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কিতাব পাণ্ডিত্যের সঙ্গে দারস প্রদান করেন। তাঁর দায়িত্বশীলতা ও মেধার স্ফূরণ অনুভব করেই মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ১৯৬৬ ঈসায়ী সনে মুহতামিমের দায়িত্বভার তাঁর স্কন্ধে অর্পণ করেন। মুহতামিমের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি শায়খুল হাদীসেরও মসনদে আসীন ছিলেন।

বিগত দুই বছর থেকে তাঁর শারীরিক ও বার্ধ্যক্যজনিত অসুস্থতার কারণে তিনি সেসব দায়িত্ব থেকে অবসর গ্রহণ করেন। এবং তাঁরই সুযোগ্য সাহেবজাদা মাওলানা বদরে আলম হামিদী হাফিজাহুল্লাহর ওপর ইহতেমামির দায়িত্ব সোপর্দ করেন। আলহামদুলিল্লাহ! তিনি দায়িত্ব পেয়েই পিতার সুপরামর্শ ও নেক দুআকে পূঁজি করেই মাদরাসাকে নবরূপে নবআঙ্গিকে ঢেলে সাজাচ্ছেন। আল্লাহ তাঁর এ নিঃস্বার্থ মেহনতকে কবুল করুন।

হযরতের দারসের বৈশিষ্ট্য.

হযরতের দারসের বৈশিষ্ট্য অত্যন্ত চমৎকার ও শানদার। দারসে তাঁর প্রদত্ত তাকরীর থেকে সবশ্রেণীর ছাত্ররা উপকৃত হতো। মেধাবী হোক বা মেধায় দুর্বল হোক সকলেই তাঁর দারস হৃদয়াঙ্গম করে নিতো। অত্যন্ত সাবলীল ও সহজ সরল ভাষায় তাঁর একেকটি দারস হয়ে উঠতো প্রাণবন্ত। সজীবতায় ছেয়ে যেতো শ্রেণীকক্ষ। তাকরীরের সঙ্গে সঙ্গে থাকতো ফিকরি অনেক বিষয়ের চমৎকার উপস্থাপন। সহজেই ছাত্ররা পেয়ে যেতো আত্মার খোরাক। আদর্শ জীবন গঠনের মানানসই উপকরণ। প্রতিটি দারস হতো বিশ্লেষণধর্মী। দারস থেকেই আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব ও মা’রিফতের হৃদয়গ্রাহী কতকথা ফুটে উঠতো তাঁর প্রতিটি কথায়। প্রতিটি আলোচনায়।

বাইয়াত ও ইজাযত.

তিনি জাহিরী ও বাতিনী দীক্ষার্জনের জন্যে বুযুর্গ পিতা কুতবে দাওরান আল্লামা শায়খ লুৎফুর রহমান বর্ণভীর রাহ.’র মোবারক হস্তে বাইআত গ্রহণ করেন। পিতার বাতানো পদ্ধতিতে তিনি মেহনত মুজাহাদা চালাতে থাকেন। অত্যন্ত রিয়াজত ও মুজাহাদার পর তিনি ১৯৭৭ ঈসায়ী সনে তরীকতের ইজাযত প্রাপ্ত হন। তাঁর সম্পর্কে স্বীয় পিতার মন্তব্য ছিলো- আমার খলীল! মাদারজাদ ওলী। সে জন্মগত ওলী হয়েই এ দুনিয়ায় ভূমিষ্ট হয়েছিলো। সুবহানাল্লাহ! পুত্রের শানে পিতার এ উক্তি বাস্তবেই প্রতিফলিত হয়েছিলো। পিতা ছাড়াও আরো দু’জন বুযুর্গের কাছ থেকেও তিনি খেলাফত লাভ করেছিলেন।

তাঁর কাছ থেকেও আধ্যাত্মিকতার লাইনে চূড়ান্ত মেহনত করে প্রায় ত্রিশজনেরও অধিক খেলাফত লাভ করেছেন।

বই পুস্তক রচনা.

লেখালেখির জগতেও তিনি একজন বিদগ্ধ লেখক। মাতৃভাষা বাংলায় রয়েছে তাঁর অসামান্য দখল। বাংলা ছাড়াও আরবী ও উর্দু ভাষায় তিনি বিশাল পাণ্ডিত্যের অধিকারী। তাঁর কোমল হাতের সৃজনশীল লেখায় এ পর্যন্ত কয়েকটি বই রচিত হয়েছে। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য ক’টি হলো-

১. ইসলাম ও বিজ্ঞান।

২. হেফাজতে ইসলাম এর প্রাথমিক শিক্ষা।

৩. ছয় মঞ্জিল গজল।

৪. শবে বরাতের বয়ান।

৫. হযরত তাঁর ছাত্রযামানায় হযরত মুফতি ওলী হাসান টুংকী রাহ.’র তিরমিযি শরীফের তাকরীর উর্দু ভাষায় লিপিবদ্ধ করেছিলেন। যা বর্তমানে ‘আনওয়ারুত্ তিরমিযি’ নামে দু-খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে। তৃতীয় খণ্ড প্রকাশের পথে।

বিভিন্ন দায়িত্ব পালন.

ইসলামের দাওয়াতি কার্যক্রম সমাজের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে মিডিয়ার গুরুত্ব অপরিসীম। এ দিক বিবেচনা করেই জামিয়া লুতফিয়া আনোয়ারুল উলূম হামিদনগর বরুণা মাদরাসা একটি মাসিক দাওয়াতি পত্রিকা প্রকাশ করে আসছে। হেফাযতে ইসলাম নামের সে পত্রিকাটি আজও সর্বমহলে প্রশংসিত। হযরত শায়খ খলীলুর রহমান হামিদী রহ. হেফাযতে ইসলাম পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি হিসেবে অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

এছাড়াও দাওয়াতি ও ইসলাহী কার্যক্রম পরিচালনার জন্যে পিতার প্রতিষ্ঠিত দ্বীনি সংগঠন আনজুমানে হেফাযতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় আমীর। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম মৌলভীবাজার জেলা শাখার সম্মানিত উপদেষ্টা। বাংলাদেশ কাওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড এবং আল-খলীল কেরাত প্রশিক্ষণ বোর্ডের অন্যতম মুরব্বি।

ইবাদত বন্দেগী.

তিনি ইবাদত বন্দেগীতেও সদাসর্বদা যত্নবান। রাতের শেষ প্রহরে চলে নাওয়াফিলের সাধনা। আরশপতির কাছে চলতে থাকে তাঁর বুকফাটা ফরিয়াদ। প্রার্থনা আর আরাধানায় তাঁর কেটে যায় রাত। এভাবেই দেখা দেয় প্রভাতের রেখা। উম্মাহ-মিল্লাহ, আপনজন ও পরজন সকলের কথা, সকলের ব্যথা, সকলের শান্তি ও মুক্তি এবং কল্যাণকামিতার জন্য থাকতো রাহমান মাওলার দরবারে তাঁর দুআর আবদার। নিজেকে উজাড় করে দেন প্রভুর দরবারে। মিনতির সুরে আকুতি কাকুতি করে তিনি তাঁর মনের তামান্না তুলে ধরেন মালিকের কাছে। আর মালিকও তাঁর এ প্রিয় বান্দার আবদার আকুতি গ্রহণ করে নেন। কবুল করে নেন বান্দার সকল কামনা বাসনা। ফলে মুসতাযাবুদ্ দাওয়াত হিসেবেই তিনি অন্যন্য এক মর্যাদায় অভিষিক্ত হতে পেরেছেন। আনাচে-কানাচের লোকজন ছাড়াও দূরে বহুদূরের অনেকজন তাঁর কাছে ছুটে আসেন দুআ নিতে। তাঁর মোবারক হাতে বাইআত গ্রহণ করে ধন্য হতে।

তাঁর খাদিমদের একজন বর্তমান বরুণা মাদরাসার উসতায মাওলানা মুসলেহ উদ্দিন রাশেদ চৌধুরী বলেন- তিনি তিন বৎসর হযরতের পাশের রুমে ছিলেন। তার দেখা তিন বৎসরে এমন কোনোদিন হয়নি যে হযরতকে তিনি তাহাজ্জুদ ছাড়তে দেখেন নি। বরং হযরতের শেষ রাতের যিকির আযকার ও ইবাদত-বন্দেগীর কারণে তারও ঘুম ভেঙ্গে যেতো। তাঁর কান্নার আওয়াজ ভেসে আসতো তার রুমে। এই হলো তাঁর ইবাদতের ফিরিস্তি।

ব্যক্তিচরিত্র.

হক্কুল্লাহ ও হক্কুল এবাদের প্রতি তিনি খুবই সজাগ। যাতে কোনো গাফিলতি যেনো এসব বিষয়ে না হয়। তাঁর উদার একটা মন আছে। আছে মা’রিফতি নূরের ঝলকানী। সব সময় তিনি নিজেকে লুকিয়ে রাখতে সাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। কৃত্রিমতা ও লৌকিকতাকে তিনি প্রশ্রয় দিতে জানেন না। নিজের পাবলিসিটির জন্যও কোনো ফিকির তিনি তাঁর জীবনে কোনোদিনও করেন নি। দূরদূরান্ত থেকে কেউ যদি তাঁর কাছে সাক্ষাৎ করতে এসে বলে বড়হুযুরের সাক্ষাতের জন্য এসেছি। তিনি তখন তখন বলে দেন- এখানে বড়হুযুর বলতে কেউ নেই। এই অধম বান্দার নাম হলো- খলীলুর রহমান। নিজেকে লুকিয়ে রেখে আগন্তুকদের বাতলিয়ে দেন তাঁর ছোটভাই মুফতি রশীদুর রহমান ফারুক হাফিজাহুল্লাহর কাছে। তাঁর কাছ থেকেই দুআ নিতে। বাইআত হতে। নিজেকে ছোট করে আর ছোটকে বড় করেই তিনি তৃপ্তি পান। প্রশান্তি অনুভব করেন।

তিনি সহজেই কাউকে ক্ষমা করে দেন। এমনকি তাঁর সাথে চরম বেয়াদবিও যদি কেউ করে বসে, তাহলে তাকেও তিনি মাফ করে দেন। তার শুভবুদ্ধির জন্যে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন। তিনি বলেন- আল্লাহ যদি বান্দার তাওবাকে কবুল করে নিতে পারেন, তাহলে আমি কেনো তাঁর গোলাম হয়ে অপর এক ভাইকে মাফ করে দিতে পারবো না? তাকে মাফ করে দেওয়াই হলো আমার মনিবের সন্তুষ্টি অর্জন। তাই আমি কারো ওপর রাগ করে বসে থাকতে পারবো না। বরং মাফ করে দিলেই আমার অন্তরে প্রশান্তি আসে। সুবহানাল্লাহ! হযরত কতবড় প্রশস্ত মনের অধিকারী।

হযরত তাঁর অধ্যাপনাকালীন ও ইহতেমামের দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে কোনোদিনও তাঁর অধিন্যস্তদের ওপর কোনো প্রভাব খাটাননি। স্টাফের শিক্ষকদের ওপর কোনো অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেননি। কারো ওপর কোনো অনাধিকার চর্চা করেননি। এমনকি কোনো দৃষ্টিকটু ভাষায়ও কারো কোনো মন্তব্য করেন নি। সবাইকে নিয়ে মিল মুহাব্বতের নাজরানা প্রদর্শন করে চলতেন। হাসিমুখে নরম স্বভাবে সকলের সঙ্গে মিশতেন। কাঁধে কাঁধ রেখে মাদরাসা পরিচালনার স্বার্থে সকলের সুপরামর্শ নিয়েই সকল কাজ সমাধা করতেন। যার দরুণ সকলেই তাঁকে ভয়মিশ্রিত শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার আসনে স্থান দিয়েছেন। আর তিনিও তাঁদের শ্রদ্ধামিশ্রিত ভালোবাসা নিয়ে এক অনন্য উচ্চতায় আসীন হতে পেরেছিলেন।

ইন্তেকাল.

শায়খ খলিলুর রহমান হামিদী রহ. দীর্ঘদিন বার্ধ্যকজনিত নানা রোগে ভূগছিলেন।  ৮ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) দিবাগত রাত ২টায় মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

আল্লাহ হযরতকে জান্নাতুল ফিরদাউসের উচ্চাসনে সমাসীন করুন। তাঁর খিদমাতসমূহ উম্মাহ ও মিল্লাহের কল্যানের জন্যে কবুল করুন। আরো দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর করুন।

লিখেছেন: মাওলানা আবদুস সালাম আযাদ।

৩ thoughts on “পীর সাহেব বরুণী রহ.-এর সংক্ষিপ্ত জীবনী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *