পুলিশী হেফাজতে মাওলানা ইকবাল হোসাইনের মৃত্যুর ঘটনায় বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি

সংগঠন

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নারায়ণগঞ্জ জেলা সহ-সভাপতি ও সোনারগাঁ থানা সভাপতি মাওলানা ইকবাল হোসাইনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে এবং তার মৃত্যুর ঘটনা বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবী জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর শায়খুল হাদীস আল্লামা ইসমাঈল নূরপুরী, নায়েবে আমীর মাওলানা আফজালুর রহমান, মাওলানা রেজাউল করিম জালালী, মাওলানা আলী উসমান, মুফতি সাঈদ নূর, যুগ্মমহাসচিব মাওলানা আব্দুল আজীজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান, ড. মাওলানা জি এম মেহেরুল্লাহ, মাওলানা এনামুল হক মূসা, মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী, সমাজকলাণ সম্পাদক মাওলানা মাহবুবুল হক, বায়তুলমাল সম্পাদক মাওলানা নিয়ামতুল্লাহ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুফতি মুহসিনুল হাসান, প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা হারুনুর রশীদ ভূঁইয়া।

আজ এক যুক্ত বিবৃতিতে নেতবৃন্দ বলেন,দেশের মানুষ মনে করছে মাওলানা ইকবাল হোসাইনকে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করে সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। রিমান্ডে অসুস্থ হওয়ার পরও তার উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়নি। বরং চিকিৎসায় অবহেলা করা হয়েছে। যার পরিণতিতে তিনি শাহাদাত বরণ করেছে। সরকার এর দায় দায়িত্ব কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। সুতরাং বিচারবিভাগীয় সুষ্ঠু তদন্ত করে অপরাধীদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে। যাতে কোনো নিরপরাধ মানুষ এভাবে মৃত্যুর মুখে ধাবিত না হয়।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, আটককৃত শীর্ষ অনেক আলেম কারাগারে অসুস্থ হয়েপড়েছে। তাদের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন এবং গ্রেফতারকৃত আলেমদের মুক্তি দিন। আলেমদের জীবন নিয়ে খেলা দেশের তাওহিদী জনতা মেনে নিবে না।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, আলেম-উলামা ও ইসলামী নেতৃবৃন্দ নিজেদের জান-মাল বিসর্জন দিয়ে হলেও ইসলাম ও দেশের পক্ষে ভূমিকা রেখে যাবে। সুতরাং আলেমদের হয়রানি ও নির্যাতন এবং হত্যা বন্ধ না করলে দেশের মানুষ লকডাউন ভেঙ্গে রাজপথে নামতে বাধ্য হবে এবং অনাকাঙ্খিত কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে এর দায়-দায়িত্ব সরকারকেই বহন করতে হবে।

উল্লেখ্য, মাওলানা ইকবাল হোসাইন কারাবন্দী থাকাকালীন সাহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল শাহাদাত বরণ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *