সরকারী অনুমোদন পেলো ইকরামুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন

সংগঠন

করোনাকালীন সময়ে সমাজসেবায় ব্যাপক অবদান রাখা সমাজসেবামূলক সংগঠন ইকরামুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন (ইকরামুল মুসলিমীন ফাউন্ডেশন) সমাজিক সংগঠন হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সোসাইটি অ্যাক্ট তথা ‘১৮৬০ সালের সামাজিক নিবন্ধন আইন-২১’ এর অধিনে সংগঠনটি সারাদেশব্যাপী সমাজসেবামূলক কাজ করার অনুমোদন পেয়েছে।

সংগঠনটির রেজিস্ট্রেশন নং: এস-৪৫৬৮ (S-4568)। সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল মুফতী মুহা.মুহিব্বুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সরকারী অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর এক জরুরী বৈঠকের মাধ্যমে ফাউন্ডেশনের নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটিও অনুমোদন পেয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার (২১ জুলাই) যাত্রাবাড়িস্থ মারকাযুত তাকওয়া ইসলামিক রিসার্স সেন্টারে (সংস্থার অস্থায়ী কার্যালয়) অনুষ্ঠিত বৈঠকে নতুন কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

ইকরামুল উম্মাহর চেয়ারম্যান মুফতী হাবিবুর রহমান মিছবাহ বলেন – আলেমরা জনসেবায় বড় ভূমিকা রাখছে এ বিষয়টিকে সামনে আনার জন্যই এক ঝাঁক তরুণ আলেম এবং প্রতিনিধিত্বশীল তরুণদের নিয়ে আমরা গঠন করেছিলাম ইকরামুল মুসলিমিন ফাউন্ডেশন।

প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে থেকে নিয়েই এই সংগঠনটি সারাদেশব্যাপী আলোচিত হয়েছিলো। সংগঠনের আত্মপ্রকাশ হিসাবে প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে দেশের প্রথিতযশা আলেমদের নিয়ে একটি বৃহৎ সেমিনার ও বাস্তবায়ন করেছিলাম আমরা। এরপর ধারাবাহিকভাবে সারাদেশে বিভিন্ন জনসেবামূলক কাজ চলমান ছিলো।

করোনাকালীন সময়ে এসে ইকরামুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন (পূর্বনাম : ইকরামুল মুসলিমীন ফাউন্ডেশন) সারাদেশব্যাপী সবচেয়ে আলোচিত সমাজ সেবামূলক সংগঠন হিসেবে নিজের অবস্থান তৈরি করতে পেরেছে।

পরবর্তীতে কাজের সুবিধার্থে আমরা সরকারি রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ার দিকে আগানোর পর কিছু প্রাতিষ্ঠানিক জটিলতার কারণে সংগঠনের নাম ইকরামুল মুসলিমীন ফাউন্ডেশন থেকে ইকরামুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন করা হয়েছে। যা বর্তমানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের রেজিস্টারকৃত একটি সমাজসেবামূলক সংগঠন। তিনি বলেন – ইনশাল্লাহ আমরা এ সংগঠনের মাধ্যমে সারাদেশব্যাপী জনসেবামূলক কাজ করে যাবো। তিনি এ সংগঠনের সফলতার জন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।

প্রসঙ্গত, মুফতি হাবিবুর রহমান মিছবাহ একজন জনদরদি আলেম হিসেবে ইতোমধ্যেই তার অবস্থান তৈরি করতে পেরেছেন। ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা সংকটকালীন সময়ে তিনি কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ধারাবাহিক কাজ করেছেন। সেখানে মাদ্রাসা মসজিদ প্রতিষ্ঠা করাসহ হাজার হাজার রোহিঙ্গাদের মধ্যে সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন তিনি। বর্তমানে ইকরামুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে তিনি সারাদেশব্যাপী কাজ করে যাচ্ছেন।

জেআর/