সিলেটে মুফতী হাফিজ লুৎফুর রহমান কাসেমীর ‘ঈদ উপহার’ বিতরণ

ফিচার সংবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক: পৃথিবীর বুকে নেমে এসেছে ভয়াল এক মানবিক বিপর্যয়। ২য় বিশ্ব যুদ্ধের পর এমন দুর্যোগ ও সংকট দেখে নি বিশ্ববাসী।করোনাভাইরাস নামক মহামারীর তান্ডবে হাঁপিয়ে উঠছে সবাই।অজানা এক আতঙ্কে কাটছে মানুষের দিনরাত।বৈশ্বিক এই মহামারী কেড়ে নিচ্ছে লাখ লাখ প্রাণ।থামিয়ে দিয়েছে অর্থনীতির চাকা।বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা প্রকট হচ্ছে। এমন দু:সময়েও মানবতাবাদী মানুষরা লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। অসহায় মানুষকে অার্থিক সহযোগিতা করে সাহায্যের হাত সম্প্রসারিত করেছে অনেক সংগঠন ও বিত্তশালী।

এমনি একজন মানব দরদী আলেম মুফতী হাফিজ লুৎফুর রহমান কাসেমী। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করলেও দেশ ও মাটির প্রতি ভালবাসার কারণে থেমে থাকেন নি বিশ্বনাথের এই কৃতিসন্তান।করোনা সংকটে লক্ষাধিক টাকার মানবিক আর্থিক সহায়তা করে মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন তিনি।

মুফতী হাফিজ লুৎফুর রহমান কাসেমী একজন সংগঠক ও ইসলামি চিন্তাবিদ। তিনি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি ও ইউনাইটেড উলামা কাউন্সিল অফ ইউএসএ ইনক এর প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করছেন।এছাড়াও অনেক সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের পৃষ্ঠপোষকতা করেছে তিনি।সময়ের সাড়া জাগানো অনলাইন নিউজ পোর্টাল ভয়েস টাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদকমণ্ডলী সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন এই মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আলেমে দ্বীন।

করোনা দুর্যোগে বিশ্বনাথে ১২০ পরিবারের মধ্য জরুরী খাদ্য পন্য ও নগদ টাকা এবং ওসমানীনগরে ৫০ টি পরিবারে নগদ টাকা বিতরণ করেছেন অভাবীদের মাঝে।
স্থানীয় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও ছাত্র মজলিসের ব্যবস্থাপনায় তা সুষ্ঠুভাবে বিতরণ হয়।

বিশ্বনাথের রাজনগর মোল্লার গাঁও ও জানাইয়া গ্রামে ও ওসমানীনগরের ৮ টি ইউনিয়নের অনেক ইমাম ও উলামায়ে কেরামদের মধ্যে রমজানে হাদিয়া দিয়ে মানবসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন মুফতী লুৎফুর রহমান কাসেমী।

ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ঈদে হাদিয়া দিয়েছেন শতাধিক আলেম-উলামাকে।সুনামগঞ্জ , ছাতক , দক্ষিন সুরমা, সিলেট , বালাগাঞ্জ, বিশ্বনাথ ও মাধবপুর সহ বিভিন্ন এলাকায় আলেমদের মধ্যে মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশের মধ্যমে ঈদ উপহার হিসাবে নগদ অর্থ পৌঁছানো হয়।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি মুফতী হাফিজ লুৎফুর রহমান কাসেমী এ বিষয়ে বলেন,এই মহা দুর্যোগে সাধ্যানুযায়ী মানুষের অর্থ কষ্ট সামান্য হলেও দূর করার চেষ্টা করেছি।কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *